প্রথম সাফল্যের অপেক্ষায় বোল্ট

এক কিংবদন্তির অলিম্পিক শেষ। এবার আরেক কিংবদন্তির অলিম্পিক রাঙিয়ে দেওয়ার পালা। ২৩টি স্বর্ণজয়ের অত্যাশ্চর্য রেকর্ড গড়ে বিদায় নিয়েছেন মাইকেল ফেল্পস। এখন ক্রীড়াপ্রেমীরা তাকিয়ে উসাইন বোল্টের দিকে। বিশ্বের দ্রুততম মানবের খেতাব ধরে রাখতে সোমবার সকালে ট্র্যাকে নামবেন ‘বজ্র বোল্ট’।
বেইজিং আর লন্ডন অলিম্পিকে ১০০ ও ২০০ মিটার ছাড়াও ৪x১০০ মিটার রিলের স্বর্ণ জিতেছিলেন বোল্ট। রিও অলিম্পিকেও এই তিন ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন বলে তাঁর সামনে ‘ট্রিপল ট্রিপল’-এর অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ার হাতছানি। সন্দেহ নেই জ্যামাইকার ‘গতিদানব’ কীর্তিটা গড়তে না পারলে তা হবে বিশাল অঘটন।
শনিবার ১০০ মিটার স্প্রিন্টের হিটে প্রত্যাশিতভাবেই প্রথম হয়েছেন বোল্ট। যদিও দৌড়ের শুরুতে বেশ পিছিয়ে ছিলেন। কিন্তু শেষ ২৫ মিটার চ্যাম্পিয়নের মতো দৌড়ে সবার আগে ফিনিশিং টেপ স্পর্শ করেছেন তিনি। টাইমিং ছিল ১০.০৭ সেকেন্ড, যা নিজেরই গড়া বিশ্বরেকর্ডের (৯.৫৮ সেকেন্ড) ধারেকাছেও নেই।
বোল্ট নিজেও বুঝতে পারছেন যে তাঁর পারফরম্যান্স তেমন ভালো ছিল না। হিট শেষ হওয়ার পর তিনি বলেছেন, ‘এটাকে কিছুতেই সেরা সূচনা বলা যাবে না। শুরুতে আমি বেশ মন্থর ছিলাম।’ তবে ভক্তদের আশ্বস্তও করেছেন সঙ্গে সঙ্গে, ‘আমি সব সময় জিততে চাই। সেজন্যই তো এখানে এসেছি।’
এই শতাব্দীতে ফেল্পস যেমন সাঁতারের প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছেন, তেমনি বোল্ট মানেই অ্যাথলেটিকসের স্প্রিন্ট। ফেল্পস জীবনের শেষ অলিম্পিক থেকে বিদায় নিয়েছেন বিজয়ীর বেশে। এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও এটা সম্ভবত বোল্টেরও শেষ অলিম্পিক। রিও অলিম্পিকে ‘লাইটনিং বোল্ট’ও ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে পারবেন কি না, সেই উত্তর খোঁজা শুরু হবে সোমবার সকাল থেকে।