রাজিনের আক্ষেপ, তামিমের শতক
জাতীয় দলের বাইরে তিনি প্রায় এক দশক হতে চলল। ২০০৬ সালে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকলেও এখনো যে তিনি ফুরিয়ে যাননি তাঁর প্রমাণ মিলল এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে।
ঘরোয়া ওয়ানডের সবচেয়ে বড় আসরে এবার তিনি বেশ ভালোই খেলে যাচ্ছেন। ক্রিকেট কোচিং স্কুলের হয়ে এর আগে দশ ম্যাচে একটি শতক ও একটি অর্ধশতক ছাড়াও বেশ কয়েকটি ভালো ইনিংস রয়েছে তাঁর।
সোমবার বিকেএসপিতে আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে আরেকটি অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন তিনি। অল্পের জন্য শতকবঞ্চিত হয়েছেন তিনি। নীল-আকাশি শিবিরের দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে ৯৫ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি। মাত্র পাঁচ রানের জন্য শতরান করতে না পারার আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে বাংলাদেশ দলের সাবেক এই ব্যাটসম্যানকে।
রাজিনের অসাধারণ এই ইনিংসের ওপর ভর করেও খুব বড় ইনিংস গড়ে ক্রিকেট কোচিং স্কুল। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২০৫ রান করে তারা।
আইপিএল থেকে ফেরা সাকিব আল হাসান এই ম্যাচে বল হাতে বেশ উজ্জ্বল ছিলেন। সাত ওভারে ৩৫ রান খরচায় তিন উইকেট তুলে নেন তিনি। এ ছাড়া তাসকিন আহমেদ, আবুল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেন নেন দুটি করে উইকেট।
বৃষ্টিবিঘ্নিত এই ম্যাচে পরে আবাহনীর সামনে ১৬৮ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। এই রান টপকাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নীল-আকাশি শিবিরকে।
আবাহনী অধিনায়ক তামিম ইকবালের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই মাত্র এক উইকেট হারিয়ে সহজেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছায় আবাহনী। তামিমও আসরের প্রথম শতক পেলেন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে।
৮৬ বলে ১০৫ রান করেন তিনি। ১১টি চার ও চার ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি।
এই ম্যাচ জিতে আবাহনী পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছে। ১১ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১৪ পয়েন্ট।

ক্রীড়া প্রতিবেদক