রসায়ন-প্রকৌশলে লেনদেন ২৭ শতাংশ
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ২৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে চার হাজার ৭৫৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১২টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ওষুধ রসায়ন এবং প্রকৌশল এই দুই খাতের ৭৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৬৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৪৮৮ কোটি চার লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৭০০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৪০ কোটি ছয় লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের ৪২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫৬৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫৩৬ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ২৯ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা সাধারন বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৯৯ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫০৫ কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে বিবিধ খাতে ছয় দশমিক ৩৩ শতাংশ, আইটি খাতে পাঁচ দশমিক ১৭ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে চার দশমিক ৭৬ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে চার দশমিক ৬৫ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে তিন দশমিক ৯৫ শতাংশ, জ্বালানী ও শক্তি খাতে তিন দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, টেলিকম খাতে দুই দশমিক ৯০ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দুই দশমিক ৬৭ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ৪৭ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে এক দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতে এক দশমিক ৩২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ, চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশ, করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে এক দশমিক শুন্য আট শতাংশ এবং পাট খাতে শূন্য দশমিক শূন্য আট শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক