বস্ত্র খাতে লেনদেন ৬৮১ কোটি টাকা
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে (রোববার থেকে বৃহস্পতিবার) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। গেল সপ্তাহে খাতটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বিমা খাত। দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৩৯ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৬৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫২৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১১টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে বস্ত্র এবং সাধারণ বিমা এই দুই খাতের ১০১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩১০টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৬০১ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৮১ কোটি ২২ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাধারণ বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৫৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৫১ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের ৪২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২০৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের সাত দশমিক ৮৫ শতাংশ। ৬ষ্ঠ অবস্থানে থাকা জ্বালানী ও শক্তি খাতের ২৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৮৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের সাত দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ছয় দশমিক ৭২ শতাংশ, বিবিধ খাতে চার দশমিক ১৫ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তিন দশমিক ৬৩ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে দুই দশমিক ৬০ শতাংশ, আইটি খাতে এক দশমিক ৭৯ শতাংশ, পাট খাতে এক দশমিক ১৬ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে এক দশমিক ৩২ শতাংশ, টেলিকম খাতে এক দশমিক ১৩ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং সিরামিক খাতে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে পেপার ও প্রিন্টিং খাতে শূন্য দশমিক ৭৭ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ, চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক