লিফটকে অত্যাবশ্যকীয় মূলধনি যন্ত্রপাতিতে অন্তর্ভুক্তিসহ ৭ দাবি বেলিয়ার
লিফটকে পুনরায় অত্যাবশ্যকীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্তি, লোড ফ্যাক্টর প্রতি কেজি দেড় ডলার নির্ধারণসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব জানিয়েছে বাংলাদেশ এলিভেটর, এস্কেলেটর অ্যান্ড লিফট ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)।
আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব দেন সংগঠনটির প্রতিনিধি এমদাদুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
সভায় এক লিখিত প্রস্তাবে এমদাদুর রহমান বলেন, লিফটকে যেন পুনরায় অত্যাবশ্যকীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং খাতটি প্রয়োজনীয় প্রণোদনা পায়। লোড ফ্যাক্টর প্রতি কেজির হার তিন ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৫০ ডলার নির্ধারণ করা, যাতে আমদানি ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে নেমে আসে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা সহজ হয়।
প্রস্তাবগুলো তুলে ধরে এমদাদুর রহমান আরও বলেন, স্থানীয় লিফট উৎপাদনের জন্য আমদানি করা কাঁচামালের ঘোষণায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং এসব পণ্য খোলা বাজারে বিক্রি রোধে কঠোর নজরদারি জোরদার করা। স্থানীয় শিল্পে ব্যবহৃত আমদানি করা কাঁচামাল ও সম্পূর্ণ আমদানি করা লিফটের মধ্যে বিদ্যমান কর বৈষম্য হ্রাস করা, যাতে বাজারে সুষম প্রতিযোগিতা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটে।
প্রস্তাবে এমদাদুর রহমান বলেন, বন্দর পর্যায়ে ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ বিশেষ করে ডেলিভারি পর্যায়ের পরিবর্তে অ্যাসেসমেন্টের পূর্বেই দ্রুত স্কেলিং সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তথাকথিত ব্রিফকেস কোম্পানিগুলোকে করের আওতায় আনা, যাতে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হয়। এ ছাড়া আমদানি কর কাঠামো প্রতিবছর পরিবর্তন না করে পাঁচ বছর অন্তর পর্যালোচনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক