কফি আমদানিতে কর-সুবিধা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় কফি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বিকাশ ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নতুন কর-সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন। প্রস্তাবিত বাজেটে কাঁচামাল হিসেবে কফি এক্সট্র্যাক্ট, কফি এসেন্স ও কফি প্রিপারেশন বাল্ক আকারে আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কফি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উৎপাদন ব্যয় কমবে, স্থানীয় শিল্প আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে এবং দেশে কফিভিত্তিক পণ্যের উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক