এলপিজি শিল্পে শুল্ক ছাড় ২০২৭ পর্যন্ত
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় এলপিজি শিল্পের বিকাশ ও উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলপিজি সিলিন্ডার, অটো ট্যাঙ্ক এবং ভাল্ব ও বাং (Valve & Bung) উৎপাদনকারী শিল্পের জন্য বিদ্যমান রেয়াতি শুল্ক ও কর অব্যাহতি সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন। প্রস্তাবিত বাজেটে এসব শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক রেয়াত ও কর অব্যাহতি সুবিধা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। এ সুবিধা অব্যাহত থাকলে দেশীয় এলপিজি শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে এবং ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে-বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক