কমবে চিনির দাম
দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন পণ্য চিনির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে এর ওপর থাকা এক শতাংশ উৎসে কর উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ করার বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকারের এই যুগান্তকারী ও জনবান্ধব উদ্যোগ চূড়ান্তভাবে পাস হলে দেশের বাজারে বহুল ব্যবহৃত এই নিত্যপ্রয়োজনীয় মিষ্টি পণ্যের দাম বেশ খানিকটা কমতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করার সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী সরকারের এটি প্রথম বাজেট, যার আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
চিনির পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের ওপর জেঁকে বসা তীব্র মূল্যস্ফীতির চাপ সরাসরি কমাতে এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল, ধান, গম, ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় ও মৌলিক পণ্যের ওপর প্রযোজ্য উৎসে করও অভিন্ন উপায়ে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের মেগা বাজেটে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বাজেট বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি থেকে দেশের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত সমাজকে স্বস্তি দিতেই সরকার করের হার কমানোর এই সাহসী ও দরকারি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্যাক্স বা করের বোঝা অর্ধেকে নেমে আসায় দেশের আমদানিকারক, মিলমালিক ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের উৎপাদন ও সরবরাহ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে, যার সরাসরি ইতিবাচক সুফল সাধারণ ভোক্তারা পাবেন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক