বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন কর-সুবিধা
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরসহ শিল্প-কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন এবং ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) আমদানিতে কর-সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে। এই উদ্যোগের ফলে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে, শিল্প-কারখানায় দূষণ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং নগর পরিবেশ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অঙ্কের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুনের মধ্যে বাজেট পাস করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক