ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় শাহবাগ থানায় ঢাবি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ
রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় শাহবাগ থানায় অভিযোগ জমা দিয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।
প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করেছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। পরে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, এটি মামলা নয় অভিযোগ। ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্যাতিত ছাত্রীর বাবার করা মামলার সঙ্গে এ অভিযোগপত্র সংযুক্তির জন্য পাঠানো হবে।
আজ সোমবার বেলা পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেছেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় শাহবাগ থানাধীন হওয়ায় ঢাবি কর্তৃপক্ষ এই থানায় মামলা করেছে। প্রয়োজনে আরো একাধিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, ‘আমরা পুলিশের কাছে পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়েছি, এটি কী মামলা হবে এবং কী কী ধারা হবে সেটি পুলিশ দেখবে। এ রকম একটি ঘটনা ঘটবে আর বিশ্বাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চুপ থাকবে, তা হয় না। তাকে ক্লিনিক্যাল, সাইকোলজিক্যাল, মেন্টাল ও লিগ্যাল সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। পরিবারকে অবহিত করে ঢাকায় আনা হয়েছে।’
মামলার অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে প্রক্টর বলেন, ‘ঘটনাস্থল চিহ্নিত করেছি। আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’
নির্যাতিত ছাত্রীর সহপাঠীরা জানান, গতকাল রোববার ক্লাস শেষে ওই ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে চড়ে শ্যাওড়ায় এক বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। ভুল করে এর আগের কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে নেমে পড়েন তিনি। ওই সময় ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার একপর্যায়ে হঠাৎ করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি পেছন থেকে তাঁর মুখ চেপে ধরে। এরপর তাঁর সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে। পরে তাঁকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই ছাত্রীকে শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয় বলেও জানান তাঁরা।
পরে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী নিজেই শ্যাওড়ায় তাঁর বান্ধবীর বাসায় চলে যান। সেখান থেকে আরো সহপাঠীদের জানানোর পর তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা