সর্বশেষ প্রযুক্তি দিয়ে জ্ঞান বিস্তার করতে হবে
রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, উচ্চশিক্ষার পাদপীঠ হিসেবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আধুনিক ও সর্বশেষ উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্ঞান বিস্তার করতে হবে। শিক্ষা কারিকুলামেরও সময়োপযোগী পরিবর্তন আনতে হবে।
আজ মঙ্গলবার ঢাবিতে আয়োজিত বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এ সময় আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার পরিচালক ইউকিয়া আমানোকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
সমাবর্তনে আবদুল হামিদ বলেন, সৃজনশীলতা ও স্বাধীন চিন্তার কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের ফলে জ্ঞানের পরিধি বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার এ মাত্রাকে আরো বেগবান করেছে। তাই উচ্চশিক্ষার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সর্বশেষ উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্ঞান বিস্তার করতে হবে।

বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পারমাণবিক কর্মসূচি ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারমাণবিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কী ধরনের ভৌগোলিক অবস্থান হওয়া উচিত, মানুষ ও পরিবেশের নিরাপত্তা, পরমাণু দুর্ঘটনা মোকাবিলা, তেজস্ক্রিয়া, পারমাণবিক বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে মানুষের কৌতূহল ও জিজ্ঞাসার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আরো বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বাংলাদেশ বর্ধিত বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করতে পরমাণুশক্তিকে কাজে লাগাতে এরই মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ও পরমাণুশক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক পরমাণুশক্তি সংস্থার সহযোগিতা একান্ত অপরিহার্য।
সমাবর্তনে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাবির উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমাদ, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এনামুজ্জামান।

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা