ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ১২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে পরীক্ষার হল থেকে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে পরীক্ষা চলার সময় ওই ১২ জনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের কারাদণ্ডাদেশ দেন নির্বাহী হাকিম তৌহিদ এলাহী।

আটক ভর্তিচ্ছুরা হলেন আল ইমরান, নূরে আলম আরিফ, শাহ পরাণ, আবুল বাসার, নাহিদ হাসান কাউসার, তানভীর হোসাইন, রাকিবুল ইসলাম, খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, আবু হানিফ নোমান, আবুল বাসার, শৌমিকা প্রতিচি সত্তা ও আরিফা বিল্লাহ তামান্না। তাঁদের কাছে সিমকার্ড ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র পাওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিজনেস অনুষদের কেন্দ্র থেকে আল ইমরান ও নূরে আলম আরিফকে, উদয়ন স্কুল কেন্দ্র থেকে শাহ পরাণ, শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজ কেন্দ্র থেকে আবুল বাসার ও নাহিদ হাসান কাউসার, আহমেদ বাওয়ানী একাডেমি কেন্দ্র থেকে তানভীর হোসাইন ও এস এম জাকির হোসাইন, মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্র থেকে রাকিবুল ইসলাম ও খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, কাজী মোতাহার ভবন কেন্দ্র থেকে আবু হানিফ নোমান, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে শৌমিকা প্রতিচি সত্তা এবং লালমাটিয়া কলেজ কেন্দ্র থেকে আরিফা বিল্লাহ তামান্নাকে আটক করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ এম আমজাদ জানান, আটক ভর্তিচ্ছুরা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরে তাঁদের দেখে সন্দেহ হয় পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব পালনরত শিক্ষকদের। জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক ১২ জন জালিয়াতির অভিযোগ স্বীকার করে। পরে তাঁদের শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটক নূরে আলম আরিফের সঙ্গে প্রতারক চক্রের সাত লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল।

অধ্যাপক এ এম আমজাদ বলেন, ‘আমরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি, ওই ১২ জন ভর্তি পরীক্ষার্থী ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষা দিচ্ছে। পরে তাঁদের প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁরা সবাই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
আজ সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস ও বাইরের মোট ৮৭টি কেন্দ্রে ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় এক হাজার ৭৬৫টি আসনের জন্য ফরম তুলেছিলেন ৮৯ হাজার ৫০৬ জন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা