সাংবাদিকের ক্যামেরা নিয়ে টানাহেঁচড়া করলেন ঢাবি প্রক্টর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টরের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের ক্যামেরা ধরে টানাহেঁচড়া ও দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আটক শিক্ষার্থীদের ছবি তুলতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ সময় প্রক্টর অফিসের মধ্যে কোনো সাংবাদিককে ঢুকতে দেননি প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ। তাই আটক পরীক্ষার্থীদের ছবি তুলতে প্রক্টর অফিসের বাইরে ক্যামেরা নিয়ে অপেক্ষা করেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন। প্রক্টর আমজাদ অফিস থেকে বাইরে এলে হঠাৎ ওই ক্যামেরাপারসনকে দেখে রেগে যান। পরে অকথ্য ভাষায় কথা বলে তাঁকে বের হয়ে যেতে বলেন। এমনকি তাঁর ক্যামেরা নিয়েও টানাহেঁচড়া করেন তিনি। এতে বাধা দেওয়ায় চ্যানেলটির প্রতিবেদক মাহমুদ হাসানকে সবার সামনে লাঞ্ছিত করেন প্রক্টর।
এ সময় ওই সাংবাদিক কথা বলতে চাইলেও প্রক্টর তাঁকে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেন। পরে উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন তিনি। এ সময় সহকারী প্রক্টর ড. আবুল কালাম লুৎফুল কবিরও সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।
মাহমুদ হাসান বলেন, ‘আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে বিভিন্ন চ্যানেলে দীর্ঘ পাঁচ বছর সাংবাদিকতা করেছি। কিন্তু কোথাও এভাবে হেনস্তার শিকার হইনি। আজ ঢাবির প্রক্টর আমাকে এভাবে হেনস্তা করল!’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ বলেন, ‘আসলে বিষয়টি সে রকম ছিল না। এখানে মেয়েদের ছবি তোলার বিষয়টি সামাজিকভাবে খারাপ দেখায়। তাই আমি তাদের বাধা দেই।’
জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমি তো ঘটনার বিষয়ে কিছু জানি না। সে জন্য কিছু বলতে পারছি না।’

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা