ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ১২ জনের কারাদণ্ড
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে ১২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১২ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী তাঁদের প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কিশোরগঞ্জের ইশতিয়াক আহমেদ, গাইবান্ধার আবদুল্লাহ আল মুকিম ও মোহাম্মদ রিশাদ কবির, পাবনার মিরাজ আহমেদ, বগুড়ার জয় সাহা, কুমিল্লার নূর মোহাম্মদ মাহবুব, রেজোয়ানা শেখ শোভা, মাসুকা নাসরিন রোজা, ময়মনসিংহের তারিকুল ইসলাম, রংপুরের নাসিরুল হক নাহিদ, ফরিদপুরের এমডি ফারহাতুল আলম রাফি ও নাটোরের মো. মিনারুল।
ঢাকা জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থীরা মাস্টারকার্ডের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সিমকার্ড ঢুকিয়ে কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করে উত্তর সংগ্রহ করছিলেন। সেই সময় তাঁদের আটক করা হয়। এ ছাড়া কানে অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন লাগিয়েও জালিয়াতি করা হয়েছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর সোহেল রানা, ড. এ কে লুৎফুল কবীর, অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম।
এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে ৯৮ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এই ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার ১৪৭টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য ৪১০টি ও মানবিক শাখার জন্য ৫৩টি আসন রয়েছে।
গত বছর ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে ৭০ জন ও ২০১৫ সালে ৬২ জন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ঢাবিতে ৫৩টি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ৩৩টি স্কুল-কলেজসহ মোট ৮৬টি কেন্দ্রে শুক্রবার একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা