‘রাবিতে রাজনৈতিক বাধার কারণে গণতান্ত্রিক চর্চা নেই’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বাধার কারণে গণতান্ত্রিক চর্চা নেই বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা।
রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশনের দুদিনব্যাপী সপ্তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কেন্দ্রীয় শাখার সহসাধারণ সম্পাদক উৎসব মোসাদ্দেক। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় এর উদ্বোধন হয়।
উৎসব মোসাদ্দেক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে সব মতের চর্চা হবে। এমনকি সেটা যদি সরকারবিরোধী হয় সেটারও চর্চা থাকবে। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বাধার কারণে সেটা হচ্ছে না। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’
রাবির সাবেক এ ছাত্রনেতা আরো বলেন, ‘স্বৈরাচারী এরশাদের আমলেও রাকসু নির্বাচন হয়েছে। ১৯৯০-পরবর্তী সময়ে যেসব সরকার ক্ষমতায় আছে তারা আর বেশি অগণতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। প্রমাণ হিসেবে, ছাত্র সংসদগুলো বন্ধ করে রাখা। এর প্রধান কারণ, তারা তাদের অনুগত, পছন্দমতো, লেজুড়বৃত্তিক নেতাদের টিকিয়ে রাখার স্বার্থ। রাকসু না থাকার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশও নাই।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা।
রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তমাশ্রী দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি কিংশুক কিঞ্জল, রাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এ এম শাকিল, সাবেক সভাপতি মিনহাজুল আবেদিন, রাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সদস্য লিটন নন্দী, সাবেক সভাপতি সোহরাব হোসেন, সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আবদুল মজিদ অন্তর প্রমুখ।

রাবি সংবাদদাতা