বাকৃবিতে ছাত্রফ্রন্টের ওপর ‘হামলা’র বিচার দাবি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টে ওপর ‘বহিরাগতদের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা’র বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির একাংশের সভাপতি এই দাবি জানান।
সাংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রফ্রন্টের একাংশের সভাপতি নাঈমা খালেদ মনিকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই অংশের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে মনিকা অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রফ্রন্টের অফিস দখলে দেওয়ার জন্য সংগঠনের আরেক অংশের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইমরান হাবিব রুমনের তত্ত্বাবধানে বহিরাগতরা এসে অফিসে হামলা চালায়। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, ২৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক নেতা কিশোর আহমেদের নেতৃত্বে সৌরভ দাস, প্রবাল রায়, সুজন, ইব্রাহিম খলিল, ইশরাত জাহান শাপলা, কৃষ্ণা রায়, আশিকুর রহমান পলক, রাকিব আহমেদ ও সিফাত হোসাইন জয়াসহ বহিরাগত কয়েকজন ছাত্রফ্রন্ট কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছাত্রফ্রন্টের কার্যালয়ে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাফিকুজ্জামান ফরিদসহ কয়েকজন কর্মী। তাদের মেরে বের করে দিয়ে কার্যালয়ে তালা লাগানো হয়।
‘শুক্রবার বাসদের (খালেকুজ্জামান) গাজীপুর জেলা সমন্বয়ক রাহাত আহমেদের নেতৃত্বে গাজীপুর, বরিশাল, ঢাকা ও কিশোরগঞ্জ জেলার কর্মীদের নিয়ে দলটি আবারও হামলা করে’, বলেন মনিকা।
‘এতে আমাদের প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হন। ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। এদের মধ্যে সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপ্লবের চোখে মারাত্মক আঘাত ও সাধারণ সম্পাদক গৌতম করের মাথায় আশঙ্কাজনক আঘাত লাগে’, যোগ করেন মনিকা।
এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মনিকা বলেন, ‘আমার কর্মীরা আঘাত পেয়েছে বলে নয়, এটি বামধারার রাজনীতির ওপর আঘাত। এ হামলার মাধ্যমে বামধারার রাজনীতির ভবিষ্যৎ পথটা একটু কঠিন হলো।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক