ডিএসই : তিন খাতে লেনদেন ৪১ শতাংশ, শীর্ষে ওষুধ
সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে (৭ থেকে ১১ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরের অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র এবং প্রকৌশল। এই তিন খাতে লেনদেন হয়েছে ৪১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৮৮ কোটি ৪০ হাজার টাকা। দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৪১৭ কোটি ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা। পুঁজিবাজারে ২১টি খাতে রয়েছে ৪১৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ওষুধ রসায়ন, বস্ত্র ও প্রকৌশল—এই তিন খাতের ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৮৬১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার। বাকি ১৮ খাতের ২৭৯টি প্রতিষ্ঠানে এক হাজার ২২৬ কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৩১৩ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৬২ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদনের ১৫ দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ। লেনদেনে খাতটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। এই খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৮৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।
লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। এই খাতের ৪২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৫৮ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। লেনদেনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। এই খাতের ২১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৩৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ২২ শতাংশ। লেনদেনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে জ্বালানি ও শক্তি খাত। এই খাতের ২৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৬১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের সাত দশমিক ৭৪ শতাংশ। লেনদেনে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে সাধারন বীমা খাত। এই খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৩৮ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ছয় দশমিক ৬৩ শতাংশ। লেনদেনে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক খাত। এই খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৩৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ছয় দশমিক ৪৭ শতাংশ।
এছাড়া মোট লেনদেনের ছয় দশমিক ১১ শতাংশ হয়েছে বিবিধ খাতে, জীবন বিমা খাতে চার দশমিক ৩৫ শতাংশ, আইটি খাতে তিন দশমিক ৭০ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে দুই দশমিক ৪৩ শতাংশ, টেলিকম খাতে দুই দশমিক ২৭ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে এক দশমিক ৪১ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ২৬ শতাংশ, নন ব্যাংকিং আর্থিক খাতে এক দশমিক ১৫ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে এক দশমিক ১৪ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ, চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক