বস্ত্র খাতে লেনদেন হাজার কোটি টাকা
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে (২ থেকে ৬ আগস্ট) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। খাতটি একাই লেনদেন করেছে এক হাজার ৫০ কোটি টাকা। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বিমা খাত। বস্ত্র ও সাধারণ বিমা এই দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৭২৪ কোটি টাকা।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে চার হাজার ৭২৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল এক হাজার ১৮১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১২টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে বস্ত্র ও সাধারণ এই দুই খাতের ১০১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৭২৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩২০টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৬২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাধারণ বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৬৭৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ২৭ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সাত দশমিক শূন্য দুই শতাংশ, ব্যাংক খাতে পাঁচ দশমিক ২৩ শতাংশ, বিবিধ খাতে চার দশমিক ৪৭ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে চার দশমিক ১৫ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে তিন দশমিক ৭৪ শতাংশ, জ্বালানি শক্তি খাতে তিন দশমিক ৬১ শতাংশ এবং আইটি খাতে তিন দশমিক ৪৭ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকিগুলোর মধ্যে জীবন বিমা খাতে দুই দশমিক ৫১ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ৩৫ শতাংশ, পেপার প্রিন্টিং খাতে শূন্য দশমিক ৯৮ শতাংশ, টেলিকম খাতে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ, চামড়া খাতে শুন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক