শওকত মাহমুদসহ ছয় নেতার আগাম জামিন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, সাদেক খানসহ ছয় নেতাকর্মীকে আট সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে তাঁদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জামিন পাওয়া নেতারা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদি হাসান, আশরাফুল ইসলাম রবিন, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম ও আল আমীন।
বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ ছয়জনের জামিন মঞ্জুর করেন।
সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় গত ২৬ নভেম্বর গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে করা মামলায় তাঁদের জামিন দেওয়া হয়েছে। ওই ছয় নেতা আজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।
বিএনপি নেতাদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও মাসুদ রানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হারুন-অর রশিদ।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা দলের ব্যানারে গত ২৬ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ হয়। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের মাজার গেটের বাইরে রাস্তায় অবস্থান নেন। পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিএনপির কর্মীরা গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০০ জনের নামে মামলা করে পুলিশ। এ মামলায় গত ২৮ নভেম্বর মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঢাকার একটি আদালত ওই দিনই তাঁদের জামিন দেয়।
এ ছাড়া ওই দিন হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিন নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নিজস্ব প্রতিবেদক