আরো ২৭৯ বধ্যভূমি সংরক্ষণ করবে সরকার
সরকার চুকনগর বধ্যভূমিসহ ১৯৭১ সালের আরো ২৭৯টি বধ্যভূমি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এক বর্বর হামলায় চুকনগরে অন্তত ১০ হাজার লোক হত্যা করেছে। এ ধরনের অপর ৩৪টি বধ্যভূমি বর্তমানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মিজানুর রহমান বলেন, অপর ২৭৯টি বধ্যভূমি সংরক্ষণে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগর বধ্যভূমিও রয়েছে। ১৯৭১ সারের ২০ মে কয়েক ঘণ্টায় পাকিস্তানি বাহিনী এখানে অন্তত ১০ হাজার লোক হত্যা করেছে।
রাজাকারদের নির্দেশনায় পাকিস্তানি বাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট ভদ্রা নদীর তীরে চুকনগর বাজারে হামলা চালায়। পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যা-নির্যাতন থেকে বাঁচতে নিরাপদে ভারতে যাওয়ার লক্ষ্যে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের লোকেরা এই বাজারে অবস্থান করছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাতক্ষীরা থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট এখানে আসার কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি প্রাণবন্ত শহর বধ্যভূমিতে পরিণত হয়।
৩৫০ কোটি টাকায় এই প্রকল্পের অধীনে প্রতিটি বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে। ২০১৮ সালের জুন নাগাদ প্রকল্প কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি এখন পরিকল্পনা কমিশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে সরকার দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৩৪টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ করছে।
সরকার এর আগে নয় মাসের স্বাধীনতাযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের স্মৃতি ধরে রাখতে দেশব্যাপী বধ্যভূমি সংরক্ষণের পরিকল্পনা ঘোষণা করে।

বাসস