রাজশাহীর বিএনপি নেতা মিলন জামিনে মুক্ত
জেলগেট থেকে গ্রেপ্তারের তিনদিন পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন। আজ রোববার দুপুরে রাজশাহীর মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। বেলা ৩টার দিকে কারাগারের হাজতখানা থেকে মুক্তি পান তিনি।
মিলনের আইনজীবী রইসুল ইসলাম জানান, গত ২০ আগস্ট সন্ধ্যায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটক থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিএনপি নেতা শফিকুল হক মিলনকে আবারও আটক করে। পরে তাঁকে গত ১ মার্চ বোয়ালিয়া মডেল থানায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় আজ মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে জামিনের আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে বিচারক মিজানুর রহমান তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
গত ৫ জানুয়ারির পর রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করে পুলিশ। এসব মামলায় গত ৩১ মে ও ২৬ জুন উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন তিনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় করা নাশকতার দুটি মামলায় মিলন জামিন পান। এরপর ২৬ জুলাই বোয়ালিয়া মডেল থানার দুটি ও মতিহার থানার একটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ২০ আগস্ট ওই তিন মামলায়ও উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বের হলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মিলনকে আটক করে।
এদিকে, পুলিশের করা একটি বিস্ফোরক মামলায় আজ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজিরা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর বিএনপি সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু। অ্যাডভোকেট রইসুল ইসলাম জানান, হাজিরা শেষে মিনুকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শ. ম সাজু, রাজশাহী