দাদা–দাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারণায় রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক নারী সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে দাদা–দাদির কবর জিয়ারত করে রুমিন ফারহানা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আজ দাদা–দাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আমি নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছি। আমি ১৭ বছর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছি। এলাকার এবং দেশের মানুষের দোয়া চাই। আমি প্রচারণা চালিয়ে যাব।’
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, আমার এলাকার মানুষের দাবি ছিল—এ আসন জোটে না দিতে। কিন্তু সেই আকুতি গ্রাহ্য করা হয়নি। আমার প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, মানুষ ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দেবে। ১৭ বছর কারা তাদের পক্ষ হয়ে কথা বলেছে—ভোটই তার সাক্ষ্য দেবে। স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে আমার পছন্দের প্রতীক ‘হাঁস’।
গতকাল বুধবার রুমিন ফারহানার পক্ষে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকারের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন।
এ আসনে জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। তিনি জোটের প্রতীক ‘খেজুরগাছ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নিজের পারিবারিক ইতিহাসের প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা জানান, ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর বাবা ভাষাসংগ্রামী অলি আহাদ এই আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনে তার বাবা বিজয়ী হয়েছিলেন; কিন্তু পরের দিন নৌকার প্রার্থী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

শাহনেওয়াজ শাহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া (সদর-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর)