জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা গ্রেপ্তার
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম হত্যা মামলার ৫৫ নম্বর আসামি মাহমুদুল হাসান রুবেলকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও এলাকার একটি বিল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রুবেল উপজেলার বনকালী এলাকার গেসু মিয়ার ছেলে ও ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আফসান-আল-আলমের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে মঙ্গলবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে।
এদিকে গ্রেপ্তারের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শেরপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। দলের আহ্বায়ক মো. মামুন অর রশিদ মামুন ও সদস্য সচিব মো. নিয়ামুল হাসান আনন্দ এক বিবৃতিতে দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তারা জামায়াতের দায়েরকৃত এই মামলাকে মিথ্যা ও বানোয়াট আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে রুবেলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে মারা যান। পরবর্তীতে ৩০ জানুয়ারি নিহতের স্ত্রী মারজিয়া বাদী হয়ে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলসহ ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কাকন রেজা, শেরপুর