ঈদের ছুটিতে বিমান জাদুঘরে মানুষের ভিড়
ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন আজ। ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য নানা বয়সের মানুষ ঘুরতে এসেছেন বিমান জাদুঘরে।
আজ রোববার ( ২২ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিমান জাদুঘরে এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দলে দলে মানুষ জাদুঘরে প্রবেশ করছে। সবাই পরিবারের সঙ্গে এসেছেন। টিকিটের জন্যও দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। টিকিট কাউন্টারে দেখা গেছে, প্রবেশ ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য টিকিট লাগছে না।
ভেতরে প্রবেশের পরে দেখা গেছে, সারি সারি বিমান। ছোট, বড় বা মাঝারি, সব আকারের বিমান সাজিয়ে রাখা হয়েছে এই জাদুঘরে। কোন বিমান কোন মডেলের এবং কবে তৈরি হয়েছে, এসব তথ্য লেখা আছে পাশে থাকা বোর্ডে। সেই সঙ্গে আছে বেশকিছু বিমান, যেগুলো মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এ ছাড়া জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ দেশের প্রথম পরিবহণ বিমান ‘বলাকা’। বিমান বাহিনীতে ‘বলাকা’ নামে পরিচিত এই বিমানটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ব্যবহার করতেন। ডিভিডি ও ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম দেখানো হয় বলাকার মধ্যে। জাদুঘরে হেলিকপ্টার, বিমানবাহিনী ব্যবহৃত রাডারের পাশাপাশি ২২টি বিমান আছে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বেশ কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে।
বেসরকারি ব্যাংকের চাকরিজীবী অনুপম সিংহ চৌধুরী এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ঈদের ছুটিতে রাজধানীতে আছি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে এখানে বেড়াতে এসেছি। ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বেশ উপভোগ করছেন।
অনুপম সিংহ চৌধুরী বলেন, রাজধানীর অন্য জায়গাগুলোতে যানজট নেই, তবে এখানে অনেক জ্যাম রয়েছে। তারপরেও এসে খুব ভালো লাগছে।
অপর দর্শনার্থী সাইমন বলেন, আমার মেয়ে ও বোনের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এখানে বেড়াতে এসেছি। বাচ্চারা প্লেন দেখবে, তাই এখানে নিয়ে এসেছি। এখানের প্রবেশ ফি বেশি মনে হয়েছে। সরকার একটু কমিয়ে রাখলে অনেকে ঘুরতে আসতে পারত।
মায়ের সঙ্গে ঘুরতে এসেছে অরন্য। তিনি বলেন, অনেকগুলো বিমান দেখলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বিমানগুলোও দেখালাম। একটা বিমানের ভেতরে প্রবেশ করেছিলাম। আমার অনেক ভালো লাগছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক