পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার হয় না : জ্বালানি মন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৬তম দিনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী এ কথা বলেন। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, চীন, আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ওমান ও ভারত হতে সরাসরি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ৫০ শতাংশ পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে থাকে। অবশিষ্ট শতাংশ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা হয়।
জ্বালানি মন্ত্রী আরও বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে পরিশোধনের জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়। বছরে ১৩ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় আমদানিকৃত ক্রুড অয়েলের শতভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমদানি করা হয়। পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। সামগ্রিকভাবে মোট আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ থেকে ২৩ শতাংশ জ্বালানি তেল হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে পরিবহণ করা হয়ে থাকে।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিপিসির সম্মত কার্গো প্রাপ্তিতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বিলম্ব হচ্ছে। কিছু কার্গোর জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফোর্স ম্যাজেউর ঘোষণা করেছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা রয়েছে। দেশে জরুরি চাহিদা পূরণের জন্য বিকল্প উৎস হতে জ্বালানি তেল আমদানির কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক