রূপপুর ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা
দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনার রূপপুর একনজর দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন হাজারো মানুষ। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হওয়ায় মূল প্রকল্পের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ নেই সাধারণ মানুষের। ফলে দূর থেকে বা লালন শাহ সেতু থেকে প্রকল্পের দৃশ্য দেখেই ফিরতে হচ্ছে তাদের। এমন প্রেক্ষাপটে রূপপুরের আশপাশে একটি পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র ও আবাসন সুবিধা গড়ে তোলার দাবি জোরালো হচ্ছে।
ব্র্যান্ড প্রমোটার তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, পাশে চিরকুট
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়ন শুধু রূপপুর প্রকল্পের জন্যই নয়, বরং ব্রিটিশ আমল থেকেই ঐতিহ্যের ধারক। এখানে রয়েছে ১১১ বছরের প্রাচীন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, ২৪ বছরের লালন শাহ সেতু এবং রেলওয়ের আঞ্চলিক সদর দপ্তর। শতবর্ষী বিশাল সব বৃক্ষ আর পদ্মা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পাকশীকে করে তুলেছে অনন্য। অথচ এই অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পর্যটকদের জন্য নেই কোনো মানসম্মত হোটেল, মোটেল বা রেস্তোরাঁ।
এক চোখ নিয়ে বাছুরের জন্ম, এলাকায় চাঞ্চল্য
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে আসা দর্শনার্থী সুমাইয়া খাতুন জানান, মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে সপরিবারে পাকশীতে ঘুরতে আসলেও থাকার জায়গা না থাকায় দিনশেষে ফিরে যেতে হচ্ছে।
একইভাবে পাবনা শহরের মিতা খাতুন অভিযোগ করেন, রূপপুরের আশপাশে ভালো খাবারের হোটেল না থাকায় তাদের কুষ্টিয়া অথবা গ্রিনসিটি এলাকায় যেতে হয়, যা অনেকের জন্য ব্যয়বহুল।
পাকশীর পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. ফোরকান রেজা বাদশা বিশ্বাস বলেন, আমরা পাকশী বা রূপপুরের আশপাশে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য পর্যটন মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছি। এই দাবি আদায়ে আমরা আরও জোরালো ভূমিকা রাখব।
পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি জেলায় নতুন যোগ দিয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সরকারি আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করব।

এ বি এম ফজলুর রহমান, পাবনা