কৃষি কার্ড সম্পর্কে যারা অবগত নন তারাই সমালোচনা করছেন : কৃষিমন্ত্রী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কৃষক যেন উৎপাদন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই চালু করা হচ্ছে কৃষি কার্ড। এই কার্ডে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা থাকবে, যা অনুসরণ করে কৃষকরা উৎপাদনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারবেন। কৃষি কার্ড সম্পর্কে যারা অবগত নন, তারাই সমালোচনা করছেন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ বিতর্ক পরিষদ আয়োজিত আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আজ শনিবার (২ মে) দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে অনেক সময় কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হন। বাজারে চাহিদা না থাকলে উৎপাদিত পণ্যের দাম কমে যায়, আবার উৎপাদন কম হলে দাম বেড়ে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে চাহিদার ভারসাম্য রক্ষায় সরকার কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। যারা এ উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত নন, তারাই সমালোচনা করছেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের সব ডিপ ও স্যালো টিউবওয়েল পর্যায়ক্রমে সোলার ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যয় সরকার বহন করবে।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, অতীতে বিশ্বশক্তিগুলোর চাহিদা এক ধরনের ছিল। কিন্তু বর্তমানে শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো শুধু সম্পদ নয়, বরং জীবন ও দেশের ওপরও প্রভাব বিস্তার করতে চায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার ভূঁইয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গাজী মুহাম্মদ গোলাম সোহরাব হাসান। এর আগে মন্ত্রী কলেজের চারটি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন।

মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা