বাজেটে স্বাস্থ্য খাত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলামসহ দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকরা।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক এই চার পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে হোমিওপ্যাথির প্রচলন বর্তমানে বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও উৎসাহিত হচ্ছে এবং হামদর্দ এখনও সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, এদেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির মতো অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হয়েছিল। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) তারই একটি উদাহরণ। কিন্তু বিগত সরকারের সময়ে অবহেলা কারণে আজ হামের মতো রোগ উদ্বেগজনক আকারে দেখা দিয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, শিশুদের মৃত্যুর হৃদয়বিদারক দৃশ্য আমরা অনেক বছর পর দেখলাম। যথাসময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।
সবার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আমি মনে করি এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরও উৎকর্ষ সাধন প্রয়োজন। আরও গবেষণা হওয়া উচিত, স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং এর পরিধি বাড়ানো উচিত। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো যায় তাহলে মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)