ভিসা আবেদনের ব্যাংক নথিতে ‘কিউআর কোড’ বাধ্যতামূলক
বিদেশ ভ্রমণ, উচ্চশিক্ষা বা কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও আর্থিক সক্ষমতার নথি যাচাইয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে এখন থেকে ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যু করা ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) জারি করা ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এর এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, বিভিন্ন দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা আবেদনের সময় ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও অন্য আর্থিক নথি জমা দিতে হয়। তবে এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারগুলো নানা জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভিসা আবেদন নিষ্পত্তির সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর পাশাপাশি নথির সত্যতা দ্রুত যাচাই নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালুর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যু করা ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট, ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটসহ সংশ্লিষ্ট নথিতে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড থাকতে হবে। ওই কোড স্ক্যান করে ন্যূনতম পাঁচটি তথ্য যাচাই করা যাবে। এগুলো হলো—অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, রিপোর্টের শুরুর স্থিতি, শেষ স্থিতি এবং স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ। এ ছাড়া এসব তথ্য কমপক্ষে ছয় মাস সংরক্ষণ ও যাচাইযোগ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সার্কুলার জারির তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছে। এ ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা–সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক