ডিসেম্বরে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। সেইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরীর চারুকলা ইনস্টিটিউটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ। সভা থেকেই আগামী ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণ জযন্তী পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ সময় বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ হাভার্ডের মতো করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে গড়ে তুলতে প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান উপাচার্য।
উপাচার্য ড.ইফতেখার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপ-উপাচার্য ড.শিরিন আকতার, চাকসুর সাবেক ভিপি এস এম ফজলুল হক, মাজহারুল হক শাহ্ চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, প্রাক্তণ ছাত্র সাইফুদ্দিন সাকীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। সভায় চাকসুর সাবেক প্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
নিজের বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, উচ্চ আদালতে এ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন আটজন শিক্ষার্থী বিচারকাজ পরিচালনা করছেন। মন্ত্রণালয়ে ১৪ জন সচিব ছাড়াও নানা প্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছড়িয়ে আছেন এ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা । তাদের সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে অ্যালামনাই গঠন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপাচার্য। আইন বিভাগের নবনির্মিত ভবনটির জন্য এ কে খান ফাউন্ডেশন ৮০ কোটি টাকা দিয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগে আট কোটি টাকা সহযোগিতা করেছেন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সাতটি যানবাহন সংযোজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলকে সমৃদ্ধ করেছে বলেও জানান উপাচার্য। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক, কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসছেন বলে জানান তিনি।
১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় স্থাপিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসের আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। প্রায় এক হাজার ৭৫৩.৮৮ একর ভূমির ওপর বিশ্ববিদ্যালয়টি অবস্থিত।

আরিচ আহমেদ শাহ, চট্টগ্রাম