দুর্নীতি দায়ে রাবির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
চেক জালিয়াতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছ গোপনে বিক্রির দায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সভাপতিত্বে ৪৬৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দণ্ডাদেশ পাওয়া রুহুল আমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সহকারী রেজিস্ট্রার। চেক জালিয়াতির দায়ে রুহুল আমিনের পাঁচ বছরের পদোন্নতি এবং বেতন বৃদ্ধি বন্ধ করা হয়।
অন্যজন হলেন মুন্নুজান হলের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক (ক্রীড়া) রোকসানা পারভীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছ গোপনে বিক্রির দায়ে রোকসানা পারভীনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা এবং পাঁচ বছরের ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করা হয়েছে। রোকসানা পারভীন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যায় করলে যে কাউকেই শাস্তি পেতে হবে।
অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান আরো বলেন, শ্রেণিকক্ষ নিয়ে ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন, ফিশারিজ, এনিমেল হাজবেন্ড্রি অ্যান্ড ভেটেরিনারি সায়েন্স বিভাগের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপাচার্যকে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে সিন্ডিকেট।
সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত আইন বিভাগের প্রভাষক শিবলী ইসলামকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আরো এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন সারওয়ার জাহান।
এ ছাড়া সিন্ডিকেটের সভায় রাবির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মিথ্যা অভিযোগ আনায় শাপলা সুলতানা নামের এক ছাত্রলীগকর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। শাপলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা (উর্দু) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং রোকেয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।

রাবি সংবাদদাতা