কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উদ্ভাবনে সিলেটের শিক্ষার্থীদের বিশ্বজয়
স্বপ্ন, সৃজনশীলতা আর প্রযুক্তির সমন্বয়ে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলেন সিলেটের একদল তরুণ শিক্ষার্থী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন ‘মেডিলিংক এআই’ প্রকল্প নিয়ে তারা জয় করেছেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
সিলেটের জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের (জেসিইএসসি) শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত এ প্রকল্প চলতি বছরের ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড ইনভেনশন কম্পিটিশনে ১৩–১৭ বছর বয়স বিভাগের ডিজিটাল হেলথ, ওয়েলবিইং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে।
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ উদ্ভাবকরা নিজেদের গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প উপস্থাপন করেন। কঠিন প্রতিযোগিতায় সবার নজর কেড়ে নেয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘মেডিলিংক এআই’, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, দ্রুত, কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে।
স্বর্ণজয়ী দলের সদস্যরা হলেন ওয়াশিক জাহেদ ইয়াফি, মোহাম্মদ ইসাবা ইসলাম, ওয়াইজ হাসান আরাফ, সাদি মোহাম্মদ এবং নাজমুস সাকিব নুরাজ। তাদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সায়মা চৌধুরী দীনা। শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যকে শুধুমাত্র একটি বিদ্যালয়ের অর্জন না ভেবে এটি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী সক্ষমতা, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং প্রযুক্তি-চিন্তার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন বলে মনে করছেন সায়মা চৌধুরী দীনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পতাকা সমুন্নত রাখতে শিক্ষার্থীদের এ অর্জন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করেন স্বর্ণজয়ীরা।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক