লক্ষ্মীপুরে ৪ আসনেই ধানের শীষের বিজয়
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘর হিসেবে পরিচিত লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ৮৬ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সাহাদাত হোসেন সেলিম। প্রথমবারের মতো তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া এক লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এ আসনের সাবেক তিন বারের সংসদ সদস্য। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভুঁইয়া এক লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এক লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এ আসনের সাবেক দুই বারের সংসদ সদস্য। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম এক লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-৪ আসন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এক লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এ আসনের সাবেক দুই বারের সংসদ সদস্য। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহ ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান জানান, চারটি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শেষ করেছি। কোথাও কোনোরূপ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি।

আবুল কালাম আজাদ, লক্ষ্মীপুর