রংপুর-৬ আসনে ৮ প্রার্থীর ৬ জনই জামানত হারালেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ অর্জন করতে পারেননি।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রংপুর-৬ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোছা. পপি খাতুনের ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। জামানত ফেরত পেতে হলে প্রার্থীকে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট অর্জন করতে হয়। এর কম ভোট পেলে জামানত রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।
এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৫ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪২৭ টি। যা মোট ভোটারের ৬৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নূরুল আমিন ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩। এ দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৬ জনই নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জন করতে পারেননি।
জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) সুলতান মাহমুদ পেয়েছেন ২০৯৩ ভোট। জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) নূর আলম মিয়া পেয়েছেন ১২৮৭ ভোট। এবি পার্টির (ঈগল) ছাদেকুল ইসলাম পেয়েছেন ২১৯ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাকিয়া জাহান চৌধুরী (সূর্যমুখী ফুল) ভোট পেয়েছেন ১৫৩। স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার শাহিদুল ইসলাম ফুটবল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২৩২। স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর ঘোড়া প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৬০।
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) সংসদীয় আসনটি চৈত্রকোল,ভেন্ডাবাড়ি,বড়দর্গা,কুমেদপুর,মদনখালী, টুকুরিয়া, বড় আলমপুর, রায়পুর, পীরগঞ্জ, শানেরহাট,মিঠিপুর,রামনাথপুর, চতরা ও কাবিলপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

মো. রতন মিয়া, রংপুর (পীরগঞ্জ-মিঠাপুকুর) করেসপন্ডেন্ট