সহজ জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা
১৯ রানে দুই উইকেট তুলে নেওয়ার পর ম্যাচটা জমিয়ে দেওয়ার সংকেত দিচ্ছিলেন জাসপ্রিত বুমরাহ ও ভুবনেশ্বর কুমার। তবে ক্ষিরটা জমতে দিলেন না উপুল থারাঙ্গা। এক প্রান্তে ভারতীয় বোলারদের কচুকাটা করতে থাকেন লঙ্কান ওপেনার। তাঁর একেকটি চার যেন শেলের মতো আঘাত করছিল ভারতীয় সমর্থকদের। থারাঙ্গা যখন আউট হন তখন জয়ের বেশ কাছে শ্রীলঙ্কা। নিরোশান দিকভেল্লাকে নিয়ে ইনিংসে বাকি পথটুকু নির্বিঘ্নে পার হন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
ভারতকে সাত্র উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। ১৩ ডিসেম্বর সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে মোহালিতে। আজ টস হেরে ব্যাটিং করে মাত্র ১১২ রানে অলআউট হয় ভারতীয় দল। জবাবে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ফেলে থিসারা পেরেরার দল।
১১৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৯ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে শ্রীলঙ্কা। এরপর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে নিয়ে ৪৬ রানে জুটি গড়ে লঙ্কানদের আশ্বস্ত করেন উপুল থারাঙ্গা। দলীয় ৬৫ রানে আউট হন থারাঙ্গা। মাত্র ৪৬ বলে ৪৯ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন নিরোশান দিকভেল্লা ও ম্যাথিউস। দিকভেল্লা ২৬ ও ম্যাথিউস ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে যান বিরাট কোহলি অনুপস্থিতিতে ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারটা কোনোমতে পার করতে পারলেও দ্বিতীয় ওভারেই মড়ক লাগে ভারতীয় ইনিংসে। শিখর ধাওয়ানকে দিয়ে শুরু। এরপর একে একে রোহিত শর্মা, দিনেশ কার্তিক, মণীষ পাণ্ডে, শ্রেয়াশ আয়ার, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও ভুবেনেশ্বর কুমার। দেখতে দেখতেই ধংসস্তূপে পরিণত হয় ভারতীয় দল।
এর আগে ২০০০ সালে এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারত। ১৭ বছর পর আবার সেই ভূত চেপে ধরেছিল দলটিকে। তবে শেষ পর্যন্ত মহেন্দ্র সিং ধোনিকে কাবু করতে পারেনি লঙ্কান বোলাররা। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই অধিনায়কের ব্যাটে ভর করেই শেষ পর্যন্ত ১০০ রান পার করে ভারত। হাফ সেঞ্চুরি করেন ধোনি। ৮৭ বলে ৬৫ রান করেন মাহি। তাঁর ব্যাটে ভর করেই শেষ পর্যন্ত ১১২ রান করে ভারতীয় দল।
ধোনি ছাড়াও হার্দিক পান্ডিয়া ১০ ও কুলদীপ যাদব ১৯। ১০ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে চার উইকেট নেন সুরঙ্গা লাকমাল।

স্পোর্টস ডেস্ক