ইংল্যান্ডের একচেটিয়া আধিপত্য, বলই ছুঁতে পারছে না ঘানা
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে ঘানার রক্ষণে চাপ তৈরি করল ইংল্যান্ড। পুরো প্রথমার্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখালো থ্রি লায়ন্সরা। ঘানাকে প্রায় খেলতেই দিচ্ছে না তারা। তবে সেই চাপ বেশ ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছে ঘানা। জমাট রক্ষণে আগলে রেখেছে গোলবার। ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়েই বিরতিতে গেল আফ্রিকার দেশটি।
আজ বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিজেদের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও ঘানা। প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য সমতায় ম্যাচ।
ম্যাচে ইংল্যান্ডের আধিপত্যের প্রমাণ মেলে পরিসংখ্যান থেকে। প্রথমার্ধে ৮০ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখেছে ইউরোপের দলটি। বিপরীতে, মাত্র ২০ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ঘানা। এখন পর্যন্ত ৬টি শট নিয়েছে ইংল্যান্ড, যেখানে ঘানার কোনো শটই নেই। যদিও দুই দলই এখনও লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি।
পাসিং ফুটবলেও দুই দলের পার্থক্য স্পষ্ট। ইংল্যান্ড এরই মধ্যে ৩৪৩টি পাস খেলেছে, যার সফলতার হার ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে ঘানার পাস সংখ্যা মাত্র ৯৯ এবং সফলতার হার ৭৪ শতাংশ।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটের দিকে ডি-বক্সের একদম কাছে বল পেয়ে ঘানার ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করতে গিয়ে ফাউলের শিকার হন ননি মাদুয়েকে এবং ফ্রি-কিক আদায় করেন। তবে ঘানার ডিফেন্স সেই ক্রসটি ক্লিয়ার করে দেয়।
ম্যাচের প্রথম অংশে বলের দখলে ইংল্যান্ডের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় মিডফিল্ডে অ্যান্থনি গর্ডনকে ফাউল করা হলে ইংল্যান্ড একটি বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক পায়। ডেক্লান রাইস সরাসরি শট নিলেও সেটি ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
তবে আধিপত্য থাকলেও গোলের দেখা এখনো পায়নি ইংল্যান্ড। ঘানাও রক্ষণাত্মক কৌশলে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। ফলে পরিসংখ্যান পুরোপুরি ইংল্যান্ডের পক্ষে থাকলেও স্কোরলাইনে এখনো সমতা।
ম্যাচের বাকি সময়ে এই আধিপত্যকে গোলে রূপ দিতে পারলে ইংল্যান্ড সহজ অবস্থানে চলে যাবে। আর ঘানাকে ম্যাচে ফিরতে হলে বলের দখল বাড়ানোর পাশাপাশি আক্রমণে আরও সাহসী হতে হবে।

স্পোর্টস ডেস্ক