আফগানিস্তানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকে হাসানের যত রেকর্ড
আগের দিনের ব্যর্থতা ভুলে আজ দিনের শুরুতেই আফগানিস্তানকে বোলিং আগ্রাসন দেখিয়েছে বাংলাদেশ। যার নায়ক পেসার হাসান মাহমুদ। ক’দিন আগে অস্ট্রেলিয়াকে গুড়িয়ে দেওয়া হাসান এবার গুড়িয়ে দিয়েছেন আফগানিস্তানকে।
আজ রোববার (১১ অক্টোবর) আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের সকালে হ্যাটট্রিকসহ টানা চার উইকেট তুলে নিয়ে আফগানদের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি। এমন বোলিংয়ে নাম লিখিয়েছেন কয়েকটি ইতিহাসে।
দিনের চতুর্থ আর ইনিংসের ৪৩তম ওভারে হাসান বল করতে আসলেন, বল করলেন আর জয় করলেন-- গল্পটা এভাবেও বলা যায়। ওভারের তৃতীয়, চতুর্থ আর পঞ্চম টানা তিন বলে তিন উইকেট তুলে নিলেন হাসান। গড়লেন ইতিহাসও। প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক এখন হাসানের নামের পাশে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশি সব বোলার (স্পিন-পেসার) মিলিয়েও টেস্টে তৃতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে হ্যাটট্রিক হাসানের। তার আগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন দুইজন ২০০৩ হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কপালি আর ২০১৩ সালে সোহাগ গাজী।
এদিকে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে হাসান মাহমুদের এই হ্যাটট্রিকটি ৫০তম হ্যাটট্রিক। আর চলতি বছরে টেস্টে এটাই প্রথম কোনো হ্যাটট্রিক।
শুধু হ্যাটট্রিকই নয় আফগানদের পরের টানা চারটি উইকেটই নিজের ঝুলিতে পুড়েন হাসান। ইনিংসের ৮৭তম ওভারে বোলিংয়ে এসে ফেরা ইয়ামিন আহমাদজাইকে। তাকেও রানের খাতা খুলতে দেননি। আফগান এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে ফাইফার তুলে নেন হাসান। টেস্টে এটি তার চতুর্থ ফাইফার।
ইয়ামিন আহমাদজাইকে ফিরিয়ে তৃতীয় বাংলাদেশি পেসার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের পঞ্চাশতম উইকেট তুলে নেন হাসান। টেস্টে পঞ্চাশ উইকেটের এই মাইলফলক ছুঁতে হাসানের লেগেছে ১৭ ম্যাচ। যা বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে দ্রুততম।
এর আগে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে টেস্টে পঞ্চাশ উইকেট আছে দুজন বোলারের। মাশরাফি বিন মুর্তজা (৭৮) ও তাসকিন আহমেদ (৫৯)।

স্পোর্টস ডেস্ক