‘আগামী বছর আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণকাজ শেষ হবে’
ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস বলেছেন, ‘আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের নির্মাণকাজ শেষ হবে আগামী বছর। এ জন্য পুরোদমে কাজ চলছে। বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের বাণিজ্যিক যোগাযোগ এ পথের মাধ্যমেই হবে। তাছাড়া কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগও এখান থেকেই হতে পারে।’
আজ বৃহস্পতিবার আখাউড়ায় আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে এসে মনিয়ন্দ ইউনিয়নের শিবনগর এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রীভা গাঙ্গুলী।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে হাই কমিশনার বলেন, ‘বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়টি তারা নিজেরাই সমন্বয় করবে।’
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব আনিতা বারিক, প্রটোকল অফিসার অমরিশ কুমার, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার রেইন।
প্রসঙ্গত, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে আখাউড়া জংশন স্টেশন থেকে গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন হয়ে ত্রিপুরা সীমান্ত পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার। ত্রিপুরা রাজ্যের নিশ্চিন্তপুর হবে দুই দেশের সীমান্ত স্টেশন। সীমান্ত থেকে আগরতলা রেলস্টেশন পর্যন্ত হবে পাঁচ কিলোমিটার। ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রথম এই রেলপথের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ত্রিপুরার অংশে এই রেলপথ তৈরি করছে ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ নির্মাণ সংস্থা ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (ইরকন)। বাংলাদেশ অংশে রেলপথ নির্মাণ করছে বাংলাদেশি স্থানীয় সংস্থা। এতে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮০ কোটি রুপি। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশের ১০ কিলোমিটারের জন্য প্রায় ৪৭৮ কোটি টাকা এবং ভারতের পাঁচ কিলোমিটার অংশের জন্য ৫৮০ কোটি রুপি।

শিহাব উদ্দিন বিপু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া