একযোগে দেশব্যাপী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
দেশে যেন অবৈধ দখলের মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে নদ-নদী-খাল বেদখল হয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের পর দেশের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো সংবাদ-
পাবনা থেকে এ বি এম ফজলুর রহমান : শহরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর দুই তীরের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আজ সোমবার থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সকাল ১০টার দিকে পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদের নেতৃত্বে শহরের রামচন্দ্রপুর এসপি মোড় থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ সময় বুলডোজার দিয়ে দুটি তিনতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ইছামতি নদী অবৈধ দখল করে তৈরি করা হয়েছে একতালা, দোতালা পাকা বাড়ি, ইটভাটা, মার্কেট ও দোকানপাটসহ নানা প্রতিষ্ঠান। জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এরই মধ্যে এসব অবৈধ দখলদারদের ২৮৫ জনের তালিকা তৈরি করেছে।
সুনামগঞ্জ থেকে দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী : জেলার পাঁচ উপজেলায় একযোগে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে শহরের বড়পাড়া সুরমা নদীর তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ অভিযানের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ও সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় এ অভিযান চলে।
এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, ‘সুনামগঞ্জের পাঁচ উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে নদ-নদী, খালসহ সরকারি জলাধারা তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা দখল ও উচ্ছেদ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারের টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট লক্ষ্যে সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আমাদের এ উদ্যোগ। বাকি চার উপজেলা হলো ছাতক, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও ধর্মপাশা।
কুমিল্লা থেকে মো. জালাল উদ্দিন : সদর উপজেলার গোমতী নদীর দুই তীরের দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পানি উন্নয়ন বোর্ড-কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন।
এ কাজে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন তিনটি বুলডোজার প্রথমে নদীর উত্তরপাড়ের পালপাড়া এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায়। নদীর তীরবর্তী এলাকা পশ্চিম মাঝিগাছা, পশ্চিম বৃষ্ণপুর, আড়াইওরা, দক্ষিণ রসুলপুর ও উত্তর রসুলপুর মৌজার ১৩৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ।
কুষ্টিয়া থেকে সাবিনা ইয়াসমিন শ্যামলী : জেলার ভেড়ামারায় জি কে ক্যানেলের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে ভেড়ামারার ওসমানপুর পাম্পহাউজ বাজার এলাকায় জিকে ক্যানেলে দুইপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্বে দেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, ‘সারা দেশের মতো কুষ্টিয়াতেও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে এবং যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে তা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। আজকে ওসমানপুর পাম্পহাউজ বাজার এলাকায় জিকে ক্যানেলের জায়গা দখল করে থাকা ২০ থেকে ২৫টি দোকানঘর ও অন্তত ছয়টি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে।’
কুষ্টিয়ায় শুধুমাত্র জি কে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের জায়গা দখল করে এক হাজার ৬০০ অবৈধ স্থাপনা এবং শাখা খালের জায়গা দখল করে আরো কয়েকশ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
লক্ষ্মীপুর থেকে আবুল কালাম আজাদ : জেলায় খাল দখল করে সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ৫০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ দুপুরে সদর উপজেলার জকসিন বাজারে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
অভিযান বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দখলদাররা স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেয়নি। এ কারণে বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।’
মাদারীপুর থেকে এম. আর. মুর্তজা : উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার পরও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় মাদারীপুরের রাস্তি খাল উদ্ধার অভিযানে নেমেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর পৌর শহরের পুরানবাজার ব্রিজের নিচ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, প্রায় অর্ধশত বছর আগে মাদারীপুর পৌরসভা, রাস্তি ও পাঁচখোলা মৌজার প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তি খালটি এলাকার শতাধিক লোকজন অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে বসবাস ও ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছে। গত একবছর আগ থেকে খালটি উদ্ধারে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড একাধিকবার সভা-সমাবেশ করেছেন। পরে তারা ১৫০ জন দখলদারের তালিকা করে উচ্ছেদ নোটিশ দেয়। তাতেও দখলদারটা কর্ণপাত করেনি। পরে যৌথ উদ্যোগে খালের উচ্ছেদ অভিযোগ চালান। দুপুর ১২টার দিকে পুরানবাজার-পাঁচখোলা ব্রিজের নিচ থেকে গড়ে ওঠা কাঁচা-পাকা ঘর, দোকান ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে বসতিরা নানা অভিযোগ করতে থাকেন।
মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, ‘সরকারের নির্দেশে সারাদেশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তি খালটি পুরো অবৈধ স্থাপনামুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
নরসিংদী থেকে বিশ্বজিৎ সাহা : জেলায় নদী পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ চলছে ত্বরান্বিত করতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা নদীরক্ষা কমিটির উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ছোট বড় প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। মৃত ব্রহ্মপুত্র নদকে অবৈধ দখল ও দূষণমুক্ত করে জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় এই নদের প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকায় এ অভিযান চালানো হবে।
গোপালগঞ্জ থেকে মাহবুব হোসেন সারমাত : জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সড়ক বিভাগ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে আজ সকালে শহরের গেটপাড়া, চর নারায়ণদিয়া ও বেদগ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ সময় ৫২টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে অন্তত পাঁচ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগ শহরের পুলিশ লাইনস মোড় থেকে চাপাইল সেতু পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে। তারা পুলিশ লাইন থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে।
এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সড়ক বিভাগ জানিয়েছে।
নাটোর থেকে হালিম খান : নাটোরের নারদ নদের উভয় তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহম্মদ শাহরিয়াজের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত দল সকালে নাটোর শহরের হেমাঙ্গিনী সেতু এলাকা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। নাটোর জেলার নদ-নদী দখল করে গড়ে ওঠা দেড় হাজার অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
সে তালিকা অনুযায়ী নদী উদ্ধারে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান চলবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
নেত্রকোনা থেকে ভজন দাস : জেলার মগড়া নদীর দুই তীর দখলমুক্ত করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে এই উচ্ছেদ শুরু হয়। পৌর শহরের সাতপাই এলাকা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে স্টেশন রোডসহ পর্যায়ক্রমে শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় আড়াই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহম্মেদ তালুকদার জানান, সবগুলো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুর থেকে রশিদ আল মুনান : পিরোজপুর সদর উপজেলার খালের পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানসহ স্থাপনা উদ্ধার করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আজ দুপুরে সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক ও কদমতলা ইউনিয়নের পিরোজপুর-নাজিরপুর সড়কের পাশে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপজেলার কদমতলা ভাড়ানী খালের পাড়ের পাঁচপাড়া বাজারসহ কয়েকটি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পীযুষ কুমার চৌধুরী। এ সময় খালের সাড়ে আট কিলোমিটার জায়গায় গড়ে ওঠা ১০৯টি অবৈধ স্থাপনা ও দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়।
শেরপুর থেকে কাকন রেজা : জেলার নকলা উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা নদী সুতি নদীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আজ সোমবার সকাল থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের পলাশকান্দি, পাঁচকাহুনিয়া ও পাঠাকাটা এলাকায় সুতি নদীতে বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করে আসছিল স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড শেরপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নদী দখলমুক্ত করার অভিযানের পরিকল্পনা করে।
শরীয়তপুর থেকে আব্দুল আজিজ শিশির : খাল দখল করে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসন এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আরডিসি মামুনুর রশীদ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।
জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার ৭৯ নম্বর তুলাসার, ৮০ নম্বর ধানুকা, ৬০ নম্বর পালং মৌজায় ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমিতে খাল দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে তা সরিয়ে নিতে প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নোটিশ করা হয়। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিয়ে সরকারের জমি দখলমুক্ত করার জন্য মাইকিং করে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আজ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত ৭৭টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হবে।
সূত্র জানায়, উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে শরীয়তপুর জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত বিআরএস রেকর্ডে এই জমি জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড হয়। উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীরাও জানিয়েছেন, তাঁদের এই জায়গা জেলা পরিষদ বরাদ্দ দিয়েছেন।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আরডিসি মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে অবৈধ দখলদারদের নোটিশ দেওয়াসহ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। যেসব ব্যবসায়ী আদেশ উপেক্ষা করেছে তাদের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

অনলাইন ডেস্ক