বাংলাদেশ থেকে সবজি ও ফল নেবে কাতার
কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে বৈঠক করে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল আমদানির আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত আহমেদ মোহাম্মদ আল দেহাইমি। আজ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও কাতারের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়েছে। কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ সব অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কাতার বাংলাদেশ থেকে সবজি ও ফল নেবে বলে জানিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। দারিদ্র্যের হার কমেছে, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমেছে, মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। কৃষিক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য খাদ্য ঘাটতির দেশটি আজ খাদ্য রপ্তানির মর্যাদা অর্জন করেছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে কৃষিকে শতভাগ যান্ত্রিকীকরণ ও বহুমুখীকরণ করা হবে। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা হবে, এ নিয়ে কাজ চলছে।
কাতারের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ হতে রপ্তানিযোগ্য সবজি ফলসহ অন্যান্য পণ্য আমদানিতে আমাদের আগ্রহ রয়েছে। বাংলাদেশ আমাদের ভালো বন্ধু। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
২০২১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় কাতার এক্সপোতে বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত। এ সময় টাঙ্গাইল জেলায় আনারস চাষ দেখার জন্য রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানান কৃষিমন্ত্রী। রাষ্ট্রদূত এ ব্যাপারে তাঁর প্রবল আগ্রহের কথা জানান।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, কাতার-বাংলাদেশ হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাবে। কাতার চ্যারেটির মাধ্যমে সুদীর্ঘ সময় থেকে বাংলাদেশ সহযোগিতা দিয়ে আসছে। এ সময়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বৃহত্তম ভিসা সেন্টার স্থাপন এবং আগামীতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
কাতারের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্নয়ন করছে, যার ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নতুন এক বাংলাদেশ দেখতে পাবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ মেয়াদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর কাতার ধরেই নিয়েছিল, এবারের সরকারের মূল লক্ষ্যই হবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বাংলাদেশের সব উন্নয়নে সহযোগিতা করতে চায় কাতার।’

নিজস্ব প্রতিবেদক