ভিপি নুরসহ ছাত্রদের ওপর হামলায় ঐক্যফ্রন্টের নিন্দা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরসহ ডাকসু ভবনের ভেতরে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
আজ সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে ফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘বছরের শেষে একদলীয় শাসনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করে ছাত্রসমাজের ওপর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ ও ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা জানাই আমরা।’
লিখিত বক্তব্যে ড. কামাল বলেন, ‘ডাকসুতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাদের ওপর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামধারী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর, হাসান আল মামুন, এ পি এম সোহেল, মুহাম্মদ রাশেদ খান, ফারুক হোসেনসহ অর্ধশতাধিক ছাত্র গুরুতর আহত হন। কেউ কেউ মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তাদের হত্যা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ডাকসু ভবনে আলো নিভিয়ে বর্বরোচিত নির্মম হামলা চালায়। তুহিন ফারাবীকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আমরা দেশবাসীকে দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাতে চাই, তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ যে জঘন্য ও বর্বর হামলা করেছে, তা লক্ষ শহীদের প্রতি চরম অবমাননা।’
ঐক্যফ্রন্ট নেতা বলেন, ‘ভোট ডাকাতি করে সরকার টিকে থাকার জন্য একের পর এক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ওপর এরূপ পৈশাচিক ঘটনা ঘটাচ্ছে। এই গণবিরোধী ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য ঐক্যফ্রন্ট মনে করে, দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিহত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।’
নুরসহ ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সংবিধানেই বলা আছে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়ার কথা।’
এ সময় জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পর আবরারকে হত্যা করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের পর নতুন নেতৃত্ব আসার পর নুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। এটা আওয়ামী লীগের চরিত্র।’
দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে আ স ম রব বলেন, ‘আমরা আজকে জরুরি বৈঠকে বসেছি। সব নেতৃবৃন্দ আসতে পারেননি। পরে আমরা আবার বৈঠক করে আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’

নিজস্ব প্রতিবেদক