সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ : ওবায়দুল কাদের
চলতি বছর ৩ মার্চ সকালে বুকে ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। দীর্ঘ দুই মাস ১০ দিন পর সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন তিনি।
দেশে ফেরার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। আওয়ামী লীগের ২১ তম জাতীয় সম্মেলনের আগে সাধারণ সম্পাদকের পদটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। তবে সব জল্পনা কল্পনা সরিয়ে তাঁকেই ওই পদের দায়িত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দেশের বৃহত্তম এই রাজনৈতিক দলের সভাপতি হিসেবে নবমবারের মতো দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক হলেন ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের শেষদিনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করা হয়। সম্মেলন শেষে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের এখন অনেক কাজ বাকি, আমাদের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ । আমি দ্বিতীয়বার আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নবম বারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি আমার আরেক জন শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি হলেন বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানা। আমি ধন্যবাদ জানাব আওয়ামী লীগের সাড়ে সাত হাজার কাউন্সিলর, যারা নেত্রীর মতো আমাকেও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেছেন। আমাদের বাকি কমিটি আগামী দু-একদিনের মধ্যে প্রকাশ করব।’
সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী যে ইশতেহার দিয়েছেন সেটা বাস্তবায়ন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সামনে মুজিব বর্ষ; তার পরই ভিশন ২০২১। এগুলো নিয়েই আমাদের কাজ। আমরা আমাদের প্রতিপক্ষদের দুর্বল ভাবি না, আমরা আমাদের গণতন্ত্রকে এক চাকার সাইকেল মনে করি না। আমরা মনে করি টু বাইসাইকেল গণতন্ত্রকে আমরা শক্তিশালী করতে চাই। সেই জন্য আমাদের পার্টির টলারেন্স আছে। আমরা তাদের কোনো সভা সমাবেশ কখনো দলীয়ভাবে প্রতিহত করি না।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় আমাদের ৫০-৬০ জন নেতাকর্মী আক্রান্ত হয়েছে। আমাদের অফিসের কাঁচ ও দরজা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। কিন্তু আমরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলিনি। বিরোধী দলের প্রতি আমাদের সহনশীলতা থাকবে।’

ফখরুল ইসলাম (শাহীন)