পুলিশ বিনা উসকানিতে গুলি চালিয়েছে : রিজভী
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানাতে রাজপথে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ বিনা উসকানিতে গুলিবর্ষণ ও লাঠিপেটা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। হামলায় আহত বেশ কিছু নেতাকর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আজ আদালতে উপস্থিত হওয়ার তারিখ থাকায় আগের মতোই অসংখ্য দলীয় নেতাকর্মী জড়ো হন। মূলত তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্যই নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যাত্রাপথে এভাবেই জড়ো হয়ে থাকেন।
‘জমায়েত এবং ভিড় থেকেই সরকারের মনে ভয় ঢুকেছে। আতঙ্কিত হয়েই বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী সরকার পুলিশি আক্রমণ চালাচ্ছে। দেশের সম্পদ দখল করার মতো আওয়ামী সরকার গণতন্ত্র ও সংবিধানকে কেড়ে নিয়ে নিজেদের দখলে রেখেছে। আর এই দখলে রাখতে গিয়েই বিরোধী দলশূন্য প্রাঙ্গণ তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশে।’
রিজভী এ সময় গ্রেপ্তার হওয়া দলের নেতাকর্মীদের একটি তালিকা দেন। এঁরা হলেন পল্লবীর নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর থানার মো. দিপক, শফিক, রনী; তেজগাঁও থানার মিঠু, গুলশান থানার মাসুম, ভাটারা খানার জুয়েল রানা, নারায়ণগঞ্জের নুর মোহাম্মদ, মতিঝিলের নয়ন, ওয়ারী থানার আলামিন, আশিক, হামিদ তালুকদার; কোতোয়ালি থানার সাদ্দাম, শুভ, আলম; রামপুরা থানার সুজন, পল্টন থানার মানিক খান, আরিফ, আবুল কালাম আজাদ ও ঢাকা মহানগরের মো. রাজা।
এ সময় আহত যুবদল নেতাকর্মীরা হলেন কেন্দ্রীয় নেতা মঈনউদ্দিন মজুমদার, রূপনগর থানার মাহিম, মামুন, গুলশান থানার জাকির বিশ্বাস, মাসুদ; ঢাকা জেলার মো. ওয়ালিদ খান, সাভার থানার গোলাম হোসেন ডালিম, কাউন্দিয়া থানার বিদ্যুৎ আহমেদ, সোনারগাঁও থানার নুরে ইয়াছিন নোবেল, রনি, আতাউর রহমান, বন্দর থানার মিঠু আহমেদ, আলী নুর তুষার, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আলমগীর খান প্রমুখ আহত হন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান রিজভী।

নিজস্ব প্রতিবেদক