বেড়েছে ৫২ নদীর পানি
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের (এফএফডব্লিউসি) মনিটরিংয়ে দেখা গেছে, দেশের ৫২টি নদী স্টেশনের পানির স্তর বেড়েছে। এ সময়ে কমেছে ২৬টি নদীর পানি।
আজ এফএফডাব্লিউসির এক বুলেটিনে বলা হয়, মনিটর করা ৮৪টি স্থানে পানি স্তর স্টেশনের মধ্যে পাঁচটি স্টেশনের পানির স্তর স্থির রয়েছে। তা ছাড়া তিনটি স্টেশনের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জারিয়া-জাঙ্গাইলে কংশ, বাল্লাহ এলাকায় গোয়াই ও নারায়ণহাটে হালদা নদীতে পানি বিপৎসীমার যথাক্রমে ৩ সেন্টিমিটার, ৯ সেন্টিমিটার ও শূন্য সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, সুরমা-কুশিয়ারা ও গঙ্গা নদী অববাহিকায় পানি হ্রাস পাচ্ছে অন্যদিকে পদ্মা নদী অববাহিকায় পানিস্তর বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়েছে।
গঙ্গা-পদ্মা নদী অববাহিকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পানি স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদী স্টেশনে ব্যাপক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বরিশালে মোট ২০২ মিলিমিটার পঞ্চপুকুরিয়ায় ১৫৭ মিলিমিটার, টাঙ্গাইলে ১২০ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ১১৩ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১০৯ মিলিমিটার, রামগড়ে ১০৫ মিলিমিটার, কুমিল্লায় ১০০ মিলিমিটার, পটুয়াখালীতে ৯৩ মিলিমিটার, পরশুরামে ৫৫ মিলিমিটার, বরগুনায় ১৬২.৭ মিলিমিটার, ভাগ্যকূলে ১১৫.৫ মিলিমিটার, কুষ্টিয়ায় ১১২.৭ মিলিমিটার, ফরিদপুরে ১০৮.৫ মিলিমিটার, পাবনায় ১০১.৪ মিলিমিটার, খুলনায় ৯৭ মিলিমিটার, টেকনাফে ৬২ মিলিমিটার এবং লামায় ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক