গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় নীতিমালা হচ্ছে
গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা, চাকরির নিশ্চয়তা ও বেতন-ভাতা, প্রসবকালীন ছুটি, চাকরিচ্যুতির শর্তারোপসহ যাবতীয় বিষয় উল্লেখ করে একটি নতুন নীতিমালা করতে যাচ্ছে সরকার। ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা নীতি, ২০১৫’ নামে নতুন এ নীতিমালার খসড়াটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পেশ করেছে।
অনুমোদনের জন্য এ নীতিমালাটি পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা নীতিমালার খসড়ার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, দেশের ২০ লাখ গৃহকর্মীর নিরাপত্তার জন্য এ নীতিমালার প্রয়োজন। নীতিমালাটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে গৃহকর্মীরা শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ নীতিমালার খসড়ায় গৃহকর্মী নিয়োগ, ছুটি, বেতন-ভাতাসহ এ-সংক্রান্ত সব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালার বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার এক কর্মকর্তা এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ২০১০ সালে এ নীতিমালা করার কথা ছিল। খসড়া তৈরির কাজসহ বেশ কিছু কাজ করার পর তা আর এগোয়নি। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এক আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে নীতিমালাটি মন্ত্রিপরিষদে পেশ করার সিদ্ধান্ত হয়। এ নীতিমালাটি হলে একজন গৃহকর্মীর চাকরি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি আইনি কাঠামোর মধ্যে আসবে। গৃহকর্তা কোনো গৃহকর্মীকে বিদায় করে দিতে চাইলে তাকে কত মাসের বেতন দিতে হবে তা এ নীতিমালায় বলা হয়েছে। তা ছাড়া নীতিমালার খসড়া তৈরির সময় একজন গৃহকর্মীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে।

এম এ নোমান