নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আ. লীগের ২ পরাজিত প্রার্থীর
ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনকে সুক্ষ্ম কারচুপির নির্বাচন আখ্যা দিয়ে ফলাফল বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন খুলনায় আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করে আজ বুধবার সন্ধ্যায় তাঁরা খুলনা প্রেসক্লাবে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেন।
দুই প্রার্থী হলেন বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউপির অনুপ গোলদার ও ভাণ্ডারকোট ইউপির মো. ওহিদুল ইসলাম শেখ।
অনুপ গোলদার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বটিয়াঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জলমা ইউনিয়ন নির্বাচনে জোর-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন, জেল-জরিমানা এবং পুলিশ বিজিবি র্যাব দিয়ে কারচুপি করে ফলাফল ঘোষণা করেছেন। এই নির্বাচন তিনি বর্জন করেছেন। তিনি পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান।
অনুপ গোলদার বলেন, বটিয়াঘাটার ইউএনও তাঁর নীল নকশার মাধ্যমে জনগণের দেওয়া ভোট কারচুপি করে অবৈধ পন্থায় বিএনপির প্রার্থী আশিকুজ্জামানকে এমনকি রাতারাতি অবৈধ ফলাফল তৈরি করে তাঁকে জয়ী ঘোষণা করেন।

একই অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী মো. ওহিদুল ইসলাম শেখ। লিখিত বক্তব্যে তিনি সরাসরি বটিয়াঘাটার ইউএনওর বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, সুক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে ব্যালট পেপার গণনা, ফলাফল সিট পরিবর্তন করে এই ফলাফল ঘোষণা করায় তাঁরা ফলাফল বর্জন করে পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে দুই পরাজিত প্রার্থীর সঙ্গে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বটিয়াঘাটার জলমা ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. আশিকুজ্জামান ও ভাণ্ডারকোট ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইসমাইল হোসেন মোল্লা বাবু চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন।

মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, খুলনা