হেরোইন সেবনরত দুই শিক্ষার্থী আটক, নাম বললেন চক্রের
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে হেরোইন সেবনরত অবস্থায় আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের ৩৩৫ নম্বর কক্ষ থেকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুজনকে হাতেনাতে ধরা হয়।
আটক দুই শিক্ষার্থী হলেন- বাংলা বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের আল বেরুনী হলের মাইনুদ্দিন জনি এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শহীদ রফিক-জব্বার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. সাজ্জাদ হোসেন সায়েম।
সায়েম বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের জাবি ছাত্র সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তবে আনুমানিক দুই মাস আগে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করায় তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের জাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি দীপাঞ্জন সিদ্ধান্ত কাজল। এ ঘটনাকে তিনি সংগঠনের জন্য দুঃখজনকও বলেন।
ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি বলেন, ‘আমাদের সংগঠনের কেউ এ রকম করলে আমরা তাঁদের ছাড় দেব না।’
আটক দুই শিক্ষার্থী প্রক্টরিয়াল বডির জিজ্ঞাসাবাদে মাদক সরবরাহকারী এবং তাঁদের সঙ্গে মাদকগ্রহণকারী চক্রের বেশ কয়েকজনের নাম বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কয়েকজনের নাম জানা গেছে। এঁদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা ইসলামনগরের শরীফ, বিশমাইল এলাকার সোবহান, বাইপাইলের সানি এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন শাখার কর্মচারী মনির তাঁদের মাদক সরবরাহ করেন। মাদকগ্রহণকারী চক্রের সদস্যরা হলেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ফারাবি, মওলানা ভাসানী হলের আসিফ, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের তমাল, মীর মশাররফ হোসেন হলের সাগর, আদনান, মামুন, সালাম বরকত হলের আদিত্য, শহীদ রফিক জব্বার হলের উল্লাস ও রোজেন।
এ ছাড়া মাদকগ্রহণকারী চক্রের সঙ্গে কয়েকজন নারী শিক্ষার্থীও রয়েছেন বলে দুজন জানান।
এ ব্যাপারে সহকারী প্রক্টর মেহেদী ইকবাল বলেন, যেহেতু তাঁদের হাতেনাতে ধরা হয়েছে তাই তাঁদের বিরুদ্ধে ছাত্রশৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাবি সংবাদদাতা