জামায়াত প্রার্থীকে সতর্ক করে ইসির চিঠি
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমকে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (আইন-১) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত চিঠিতে রেজাউল করিমকে সতর্ক করা হয়। গতকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো এবং ভোটারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার সত্যতা পাওয়ায় রেজাউলকে কঠোরভাবে সর্তক করা হয়েছে।
রেজাউল করিম ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর-৩ সংসদীয় আসনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অ্যাকাডেমি রোড এলাকায় এক বৃদ্ধাকে নগদ অর্থ প্রদান এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চান জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল। এই ঘটনায় একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি সংশ্লিষ্ট ‘ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটি’র কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় এবং ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়।
কমিশন জানায়, ড. রেজাউলের এই কর্মকান্ড ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ৪(১) ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সতর্কবার্তায় ইসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১ক (৬গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীর ওপর জরিমানা আরোপ এমনকি তার প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আবুল কালাম আজাদ, লক্ষ্মীপুর