নেত্রকোনায় ১১০ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ : পুলিশ সুপার
নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেছেন, জেলায় মোট ১১০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে।
আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশ লাইন্স মাঠে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে পুলিশ সুপার এ কথা বলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশের মানুষ উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একটি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা জনগণকে আহ্বান জানাই, আপনারা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসবেন, উৎসবমূখর পরিবেশে আপনারা সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়িতে ফিরে যাবেন। ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়ার পথে অথবা কেন্দ্রের ভেতর কেউ কোনো ধরনের অপকর্মের চেষ্টা করলে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, জেলায় পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৬৭৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১০ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের ‘বডিওর্ন’ ক্যামেরা থাকবে। কেন্দ্রে কেউ অপকর্ম করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, জেলায় নির্বাচন উপলক্ষে এক হাজার ৮৯০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া আনসার, বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জন্য ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
এ সময় শেরপুর ইন-সার্ভিসিং ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রেজওয়ান আহমেদ, মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভজন দাস, নেত্রকোনা