অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি বিজিবির : মহাপরিচালক
অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার আব্দুল ওয়াদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজে স্থাপিত বিজিবি নির্বাচনি বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শনকালে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিজিবি মহাপরিচালক এসব কথা বলেন। বিজিবি চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
মহাপরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বিজিবি একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে আসন্ন নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী নির্বাচনি বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান মহাপরিচালককে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি এবং অপারেশনাল প্রস্তুতি সম্পর্কিত বিস্তারিত ব্রিফিং দেন। পরবর্তীতে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচন সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, চুয়াডাঙ্গাসহ সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং সারাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF), কে–৯ ডগ স্কোয়াড, ড্রোন এবং বডি-ওর্ন ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
পরিদর্শনের শেষপর্বে মহাপরিচালক নির্বাচনি বেইজ ক্যাম্পের দায়িত্বরত সব কর্মকর্তা, জুনিয়র কর্মকর্তা ও অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।
সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

রিপন হোসেন, চুয়াডাঙ্গা (জীবননগর, দামুড়হুদা ও দর্শনা স্থলবন্দর)